Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

জোড়া দাবানলে ছারখার গ্রিস, মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাবানল ছড়াচ্ছিল হু হু করে। ওঁরা ছিলেন শহরের একটু বাইরে, সমুদ্রসংলগ্ন একটি রিসর্টে। ছুটি কাটাতে গিয়েছিল বেশ কয়েকটি পরিবার। মোট ২৬ জন। আগুনে দিশেহারা সবাই। একটি সঙ্কীর্ণ সিঁড়ি পেয়ে ওঁরা ভেবেছিলেন, ওটা দিয়ে নেমে সোজা সমুদ্রে

জোড়া দাবানলে ছারখার গ্রিস, মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে

শেষ আপডেট: 25 July 2018 02:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাবানল ছড়াচ্ছিল হু হু করে। ওঁরা ছিলেন শহরের একটু বাইরে, সমুদ্রসংলগ্ন একটি রিসর্টে। ছুটি কাটাতে গিয়েছিল বেশ কয়েকটি পরিবার। মোট ২৬ জন। আগুনে দিশেহারা সবাই। একটি সঙ্কীর্ণ সিঁড়ি পেয়ে ওঁরা ভেবেছিলেন, ওটা দিয়ে নেমে সোজা সমুদ্রে পৌঁছে যাবেন। আগুনের হাত থেকে বাঁচবেন। পরস্পরের হাত ধরে এগোচ্ছিলেন, আর মোটে দশ-বারো পা বাকি। এমন সময় ঘন ধোঁয়ায় বুজে এল শ্বাস। দেখা যাচ্ছে না আর কিছু। ওইটুকু আর যেতে পারলেন না ওঁরা। পরের দিন উদ্ধার হল দেহ। ২৬ জনের। পরস্পরের হাত ধরা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে, এথেন্স লাগোয়া সৈকতশহর মাতি গ্রামের একটি বাংলোর বাগান থেকে সেই ২৬টি অগ্নিদগ্ধ দেহ খুঁজে পান রেড ক্রসের কর্মীরা। সোমবার রাতেই ২৪টি দেহ অগ্নিদগ্ধ মিলেছিল। মঙ্গলবার রাতে মেলে আরও ২৬টা দেহ। মৃতদের মধ্যে ২২ জন শিশু–কিশোর। জখম কমপক্ষে ১৫০ জনের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিধ্বংসী দাবানলে গ্রিসে মৃত অন্তত ৭৬। আহত দেড়শোরও বেশি। এই বিপর্যয়ে তোলপাড় সারা দেশ। ঘোষণা হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে প্রথম দাবানল লাগে উপকূলবর্তী অঞ্চল অ্যাটিকার পশ্চিমে, জেরানিয়া পর্বতের জঙ্গলে। সেই প্রকোপ সামলানোর আগেই অ্যাটিকার উত্তর-পূর্বে মাতির দিক থেকে দ্বিতীয় দাবানলটি ছড়ায়। পুলিশের অনুমান, প্রথম দাবানলের পরেই আতঙ্কিত মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি খালি রেখে চলে গেলে, ফাঁকা বাড়িতে লুঠপাটের উদ্দেশ্যে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। পালানোর আগে প্রমাণ লোপাট করতে ফের আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল ডাকাতরা। সেখান থেকেই আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। শতাধিক দমকলকর্মী, ৩০টি দমকলের গাড়ি এবং হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। গোটা এলাকা জুড়ে শুধু উদ্ধারকর্মীদের চোখে পড়ছে। এই গ্রীষ্মে এই নিয়ে একাধিক দাবানলের সাক্ষী হল ইউরোপ। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস বলেছেন, এই দাবানল নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার। জরুরি পরিষেবার সব ক’টি শাখাকেই দাবানল নিয়ন্ত্রণে এবং দুর্গতদের উদ্ধারে ব্যবহার করা হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, মাতি বরাবরই গ্রিসের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সোমবারও সেখানে প্রচুর ভিড় ছিল পর্যটকদের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই অবসরপ্রাপ্ত এবং শিশু–কিশোর। জোড়া দাবানলে গোটা এথেন্সের আকাশ ঘন কালো ধোঁয়া আর লালচে আভায় ঢেকে গিয়েছে। বন লাগোয়া বসতি এলাকাগুলি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত। বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। দাবানলকে এগোতে দেখে অনেক পর্যটক নৌকা নিয়ে সমুদ্রের গভীরে পালিয়ে যান। ১০ জন পর্যটকদের নিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে একটি নৌকো। ‌‌

```