দ্য ওয়াল ব্যুরো : এবারও আইপিএল খেতাব বিরাট কোহলিদের অধরা থাকবে কিনা, তার জবাব দিয়ে দেবে বাকি চারটি ম্যাচই। গত ম্যাচে দিল্লির কাছে হারের পরে ব্যাঙ্গালোর দলের হতশ্রী বোলিংয়ের চেয়েও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে ব্যাটিং বিভাগও।
এমনকি যে পিচে টসে জিতলে ব্যাটিং নিলে দল অনেক ভাল জায়গায় চলে যেতে পারত, সেই পরিস্থিতিতে বিপক্ষ দলকে ব্যাটিং করতে পাঠানো, এটাই তাদের বুমেরাং হয়ে গিয়েছে। সোমবার দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে ম্যাচটি জিতলেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যেত বিরাট কোহলির দল। কিন্তু ৫৯ রানে হেরে দ্বিতীয় স্থান থেকে তিন নম্বরে নেমে গেছে তারা। বর্তমানে ৫ ম্যাচে কোহলিদের সংগ্রহ ছয় পয়েন্ট।
দলের হেড কোচ সাইমন ক্যাটিচের মতে, ‘‘এখন যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে আমাদের দল, তাতে পরের চার ম্যাচেই ঠিক হয়ে যাবে আমাদের ভাগ্য।’’ আগামী ১০ অক্টোবর থেকে পরবর্তী আটদিনে চারটি ম্যাচ খেলবে আরসিবি দল। কোচ ক্যাটিচ মনে করছেন, এই চার ম্যাচে অগ্নিপরীক্ষাই দিতে হবে কোহলি-ডি ভিলিয়ার্সদের।
দিল্লির বিপক্ষে ম্যাচের পর নিজের খেলোয়াড়দের ক্যাটিচ বলেছেন, ‘‘পরের ধাপে আটদিনের মধ্যে ৪ ম্যাচ খেলতে হবে আমাদের। এটা খুবই কঠিন হতে চলেছে। এই ধাপেই আমরা হয়তো টুর্নামেন্টে অনেক এগিয়ে যাবো কিংবা একদম শেষ হয়ে যাবো। আমি সবসময় ইতিবাচক থাকতে চাই।’’
দিল্লি ম্যাচ হারা প্রসঙ্গে দলের হেডস্যার জানিয়েছেন, ‘‘শুরুতেই আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বিপক্ষ দলের হাতে দিয়ে দিয়েছি। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। পাওয়ার প্লে’তে আমরা ভাল শুরু করেছিলাম। এরপর শুধু ওদের পিছনে ব্যর্থ ছুটে গিয়েছি।’’
বিরাটদের কোচ আরও বলেন, ‘‘আমরা অনেক রান বোনাস দিয়েছি, ক্যাচ মিস করেছি, যেসব কারণে অন্তত ১৫-২০ রান বেশি হয়েছে। দিল্লি আমাদের কোনও সুযোগই দেয়নি। তারা সুনিয়ন্ত্রিত ম্যাচ খেলেছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।’’
আগামী ১০ অক্টোবর চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের অগ্নিপরীক্ষা। যা শেষ হবে ১৭ অক্টোবর রাজস্থান রয়্যালসের ম্যাচ দিয়ে। এর মধ্যে ১২ অক্টোবর কলকাতা নাইট রাইডার্স ও ১৫ অক্টোবর কিংস ইলেভেন দলের বিপক্ষে খেলবে আরসিবি।
দিল্লির বিপক্ষে হারলেও সামনের ম্যাচগুলোর ব্যাপারে আশাবাদী ব্যাঙ্গালোর দলনায়ক। কোহলি বলেছেন, ‘‘এখনই ঘুরে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আমাদের এখন দেখতে হবে কোথায় দলের উন্নতি ঘটানো যায়। আমরা যদি ফের একটা ছন্দ পেয়ে যাই, তা হলে আমাদের কোনও সমস্যা হবে না। আমি মনে করি আমরা ঠিক পথেই এগিয়ে চলেছি।’’