দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বে বহু ফুটবলার রয়েছেন। তাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, আবার দ্রুত সেরেও গিয়েছেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমোনে যেমন কোভিড ১৯ আক্রান্ত। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। সেদিক থেকে জবি জাস্টিন প্রথম কোনও নামী ফুটবলার এ দেশের, যিনি কোভিডের শিকার।
কেরলে নিজের বাড়িতে রয়েছেন জবি। তিনি ভারতের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। যদিও ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে দেওয়ার পরে তাঁর সেই পুরনো মেজাজ উধাও। এটিকে-র হয়ে খেলেছেন ঠিকই গত মরসুমে, তেমন ফুল ফোটাতে পারেননি। এবারও তিনি এটিকে-মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, তাই মোহনবাগানের সবুজ মেরুন জার্সি পরে খেলতে দেখা যাবে।
কেরলে নিজের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন তিনি। তেমন উপসর্গ নেই, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে সাবধানে থাকার কথা বলে দিয়েছেন। রবিবার জবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘‘শরীরে তেমন সমস্যা নেই, তবে একটু দুর্বল লাগছে, সেই কারণেই পরীক্ষা করেছিলাম, দেখলাম কোভিড পজিটিভ।’’
এদিকে, স্প্যানিশ সেন্টার-ব্যাক তিরিকে সই করাল এটিকে-মোহনবাগান এফসি। এই ডিফেন্ডারের পুরো নাম হোসে লুইস এস্পিনোসা অ্যারোয়ো। ২৯ বছর বয়সো এই তারকা লিগের ২০১৫ এবং ২০১৬-র মরশুমে এটিকের হয়ে খেলেছিলেন। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গে তিন কোটি টাকায় চুক্তি হয়েছে।
স্প্যানিশ ডিফেন্ডার তাঁর ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘‘জয় মোহনবাগান। জল্পনা চলছিল অনেকদিন। তবে এবার কলকাতায় ফেরার খবর জানাচ্ছি সরকারিভাবে। আইএসএল-এর শক্তিশালী দল এটিকে-র সঙ্গে মোহনবাগানের মতো ঐতিহ্যশালী দলের সংযুক্তি হয়েছে এবছর। তাই মুখিয়ে রয়েছি এটিকে মোহনবাগানের জার্সি নিজের গায়ে চাপাব বলে। দুটি চ্যাম্পিয়ন দলের এবছর সংযুক্তি ঘটেছে। এশিয়ান ক্লাব কাপে যাতে খেলতে পারি, সেই লক্ষ্য থাকবে, আমরা যাতে ইতিহাস রচনা করতে পারি।’’
উল্লেখ্য যে এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ বি দলের হয়ে ৯২টি ম্যাচ খেলেছেন। স্প্যানিশ ক্লাব কাদিজের যুবদল থেকে উঠে এসেছিলেন তিরি। এই টিমের সিনিয়র দলের হয়েও ম্যাচ খেলেছেন একটি। তাছাড়া এটিকে ২০১৬ আইএসএলে যখন চ্যাম্পিয়ন হয় এটিকে, সেই দলের সদস্য ছিলেন তিনি। শেষ দু’বছর খেলেছেন জামশেদপুর এফসির হয়ে। ৪৮ ম্যাচে ৩টি গোল রয়েছে তাঁর।