Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

গ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটির

বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে মিল রেখে যদি ভারতেও জ্বালানির দাম ঠিক করা হত, তাহলে এখন পেট্রলের দাম হত প্রায় ১১৩ টাকা প্রতি লিটার এবং ডিজেলের দাম ১২৩ টাকা প্রতি লিটার হওয়ার কথা। অথচ দেশে এখন পেট্রল বিক্রি হচ্ছে সাধারণত ৯৪–১০৫ টাকায় এবং ডিজেল ৮৭–৯০ টাকায়।

গ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটির

প্রতীকী ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 15 April 2026 13:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরান যুদ্ধের (Iran War) জেরে যখন দুনিয়ার বহু দেশে জ্বালানির দাম (Fuel Price) লাগামছাড়া, কিছু দেশে সরকার নাগরিকদের হাঁটতে বা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে অফিস যেতে বলছে, তখন ভারতের ছবিটা যেন পুরো অন্যরকম। ভারতীয়রা এখনও পর্যন্ত এই মূল্যবৃদ্ধির (Oil Price Hike) আঘাত থেকে বেশ খানিকটা সুরক্ষিত। কিন্তু এই শান্তির আড়ালে প্রতিদিন রক্তক্ষরণ চলছে  ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলোর। ক্রেতাদের উপর বাড়তি চাপ না ফেলতে গিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা লোকসান করছে নিজেদের।

ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম (Petrol Diesel Price) দীর্ঘদিন ধরে প্রায় স্থির। শুধু প্রিমিয়াম ফুয়েলের দাম (Premium Fuel Price) কিছুটা বাড়ানো হলেও সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম তেমন নড়েনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভারত জ্বালানির ব্যাপারে আমদানি-নির্ভর দেশ। দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খুবই কম অংশ নিজ দেশে উৎপাদিত হয়। তবু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার পরও দেশের পাম্পে তার প্রতিফলন তেমন দেখা যাচ্ছে না।

এর কারণ, রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল বিপণন সংস্থা-

  • ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC)
  • ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)
  • হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (HPCL)

এদেরই কাঁধে পড়ছে এই বাড়তি চাপ।

বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে মিল রেখে যদি ভারতেও জ্বালানির দাম ঠিক করা হত, তাহলে এখন পেট্রলের দাম হত প্রায় ১১৩ টাকা প্রতি লিটার এবং ডিজেলের দাম ১২৩ টাকা প্রতি লিটার হওয়ার কথা। অথচ দেশে এখন পেট্রল বিক্রি হচ্ছে সাধারণত ৯৪–১০৫ টাকায় এবং ডিজেল ৮৭–৯০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি লিটারে পেট্রলে প্রায় ১৮ টাকা আর ডিজেলে প্রায় ৩৫ টাকার ক্ষতি গুণছে কোম্পানিগুলো।

শুধু কোম্পানিগুলোই নয়, কেন্দ্রীয় সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে কেন্দ্রের রাজস্ব বাড়ে, আর দাম না বাড়ানোর ফলে সেই উপার্জনও কমে যাচ্ছে। সরকারের তরফ থেকেও শুল্ক কমিয়ে সাধারণ মানুষকে রেহাই দেওয়া হয়েছে, যা মোট ক্ষতির একটা বড় অংশ।

শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের এই ১,৬০০ কোটি টাকার লোকসান আগামী সময়ে তেল কোম্পানিগুলিকে আর্থিকভাবে বড় ধাক্কা দেবে। তবে লোকসান সত্ত্বেও পাম্পের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতেই আপাতত নীতি বদলানোর কোনও ইঙ্গিত নেই।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট যখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, ভারতের তেল বাজার স্থিতিশীল দেখালেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে তীব্র আর্থিক চাপ- যা শেষ পর্যন্ত কতদিন টেকসই হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।


```