
মমতা-ঋত্বিক
শেষ আপডেট: 29 March 2025 12:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেলগ কলেজে বক্তব্য রাখার সময় আচমকা শ্রোতাদের একাংশের বিরোধিতার মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। 'বিক্ষোভে' সরব হয়ে ওঠেন। চিৎকার- চ্যাঁচামেচি—‘মিথ্যে বলছেন মমতা’। ওঠে আরজি কর প্রসঙ্গ। রীতিমতো চ্যাঁচামেচি, বিশৃঙ্খলা শুরু হয় শ্রোতাদের একাংশের মধ্যে। আরজিকর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। ফলে এ নিয়ে বলা ঠিক হবে না। একই সঙ্গে বলেন, 'এই মঞ্চকে রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করবেন না। প্রয়োজন হলে বাংলায় এসে দেখে যান, আমি মিথ্যে বলছি না।'
এমনই সময়ে বিরোধী দলনেত্রী থাকাকালীন ১৯৯৩ সালে মহাকরণ অভিযানে, কীভাবে তাঁর উপর হামলা করা হয়েছিল, গুরুতর চোট পাওয়া অবস্থায় মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা ছবি হাতে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Bandyopadhyay)। বলেন, “দয়া করে দেখুন এই ছবিটি। কীভাবে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এটা নাটক নয়। এরকম ব্যবহার করবেন না। দুর্ব্যবহার করবেন না।...’ সেই ছবি তুলে ধরে প্রশ্নকর্তাদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'এখানে মিথ্যে কথা বলে আমাকে অপমান না করে, বাংলায় গিয়ে নিজেদের দলকে শক্তিশালী করুন। গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করুন।’
যে ছবি তুলে ধরে প্রশ্নকর্তাদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখছিলেন, সেই ছবি ১৯৯৩ সালে মহাকরণ অভিযানের। রাজ্যে তৎকালীন বাম আমলে মহাকরণ অভিযানে গুরুতর চোট পাওয়া অবস্থায় মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
উপরোক্ত ঘটনাটি ঘটে গত দু’দিন আগে, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, তবে আজ মমতার ‘সেই ছবি’র প্রসঙ্গই উঠে এল অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টে? নেটমহল অন্তত তাই বুঝছে। খানিক ব্যঙ্গ, খানিক ক্রিপ্টিক পোস্টে কী লিখলেন, ঋত্বিক?
‘ট্রাভেল এজেন্ট বলল লিখে নিন, বিদেশে গেলে কিন্তু মনে করে পাসপোর্ট ভিসা বিদেশি মুদ্রা আর ২০-২৫ বছর আগেকার কিছু ছবি বড় করে প্রিন্ট করে নিয়ে যেতে হবে। যদি কাজে না লাগে তাহলে বার করবেন না কিন্তু ক্যারি করবেন সবসময়...’ পোস্টের কমেন্ট সেকশনে অভিনেতার শঙ্কর দেবনাথ লেখেন, ‘দূরদৃষ্টির কিছু নেই সমস্তটাই প্ল্যানড...’।
সকাল-সকাল ঋত্বিকের (ritwick chakraborty) পোস্টে আপাতত শেয়ার-লাইকস বাড়ছে হুহু করে। একাধিক কমেন্ট পড়ছে প্রতিনিয়ত। তবে এমন পোস্ট ঋত্বিকের প্রথমবার নয়।
সুনীতা উইলিয়ামস পৃথিবীতে ফেরার পর সুনীতাকে ভারতরত্ন সম্মান দেওয়ার দাবি জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জানান তিনি নাকি স্পেস সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এরপরই তাঁকে নাম না করে বিদ্রূপ করেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। ফেসবুকে অভিনেতা লেখেন, ‘লোকটা বলল ফেসবুকে দেখলাম সুনীতা বন্দোপাধ্যায় স্পিভাক মোটেই অক্সফোর্ড যাচ্ছেন না, উনি বিয়ার কোম্পানির ডাকে স্পেসে গেছিলেন এখন এলনের রকেট চেপে ফিরে আসলেন।’ তিনি একই সঙ্গে লেখেন, ‘ফিরে আসার রকেট তো তাই নাম রেখেছে ফিরেএসোচাকা-এক্স।’