
ফাইল চিত্র।
শেষ আপডেট: 20 July 2024 11:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনকারী এবং তাদের সমর্থক নেতাদের গ্রেফতার করা শুরু করেছে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার ভোর রাতে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গণ অধিকার পরিষদ নামে একটি দলের নেতা নুরুল হক নূরকেও ভোর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তাঁর পরিবার দাবি করেছে। পরিবারের অভিযোগ, দরজা ভেঙে ঢুকে নূরকে তাঁর ঢাকার হাতিরঝিল এলাকার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ ও র্যাব। বাহিনীর লোকেরা পরিবারের সকলের মোবাইল সেট এবং সিসি ক্যামেরা নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিরোধী দল বিএনপি শুক্রবার থেকে সরাসরি কোটি বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে পথে নামে। শুক্রবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় ওই দলের ২৬জন নেতাকে পুলিশ আটক করে বলে খবর।
শনিবার ভোর রাত থেকে গোটা বাংলাদেশে কার্ফু জারি হয়। সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের সামনে সেনা মোতায়েন হয়েছে। বলা হয়েছে, সেনা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও সাহায্য করবে। শহরগুলিতে জায়গায় জায়গায় সেনা বাহিনী অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলনকারী নেতাদের কয়েকজনের সঙ্গে শুক্রবার গভীর রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা পদ্মায় আইন ও শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক হয়। সেখানে আন্দোলনকারীরা আট দফা দাবিপত্র পেশ করে। সেই আলোচনায় অবশ্য নাহিদ ইসলাম ছিলেন না। আন্দোলনকারীরা বৈঠকে দাবি করে সরকারকে লিখিতভাবে ঘোষণা করতে হবে ভবিষ্যতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সংঘর্ষে জড়িত ছাত্র লিগ নেতা ও প্রশাসনের একাংশকে গ্রেফতার করতে হবে। আলোচনা শেষ পর্যন্ত অসমাপ্ত থাকে।
অতিথিশালার আলোচনায় অংশ নেন আন্দোলনকারীদের তিন নেতা সারজিস আলম, তানভীর আহমেদ এবং হাসনাত আবদুল্লাহ। মনে করা হচ্ছে, তাঁদের আলোচনার টেবিলে বসানো গেছে বলেই সরকার এখনই আটক করার পথে হাঁটছে না।