Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

Operation Sindoor: যোগ্য জবাব... বাবার মতো বাকিদের জীবন বৃথা যায়নি: পহেলগামে নিহতের মেয়ে

অপারেশন সিঁদুর-এর পর বাবাকে হারানোর ক্ষততে একটু হলেও যেন প্রলেপ পড়েছে বলে মনে করছেন তাঁর মেয়ে আশাবরী জাগদালে।

Operation Sindoor: যোগ্য জবাব... বাবার মতো বাকিদের জীবন বৃথা যায়নি: পহেলগামে নিহতের মেয়ে

পহেলগামে নিহত সন্তোষ জাগদালের মেয়ে আশাবরী

শেষ আপডেট: 7 May 2025 15:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলমা পড়তে না পারার অপরাধে স্ত্রী-মেয়ের চোখের সামনেই সন্তোষকে গুলি করে মেরেছিল জঙ্গিরা। অপারেশন সিঁদুর-এর পর বাবাকে হারানোর ক্ষততে একটু হলেও যেন প্রলেপ পড়েছে বলে মনে করছেন তাঁর মেয়ে আশাবরী জাগদালে।

২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরন উপত্যকার হাসিখুশি মুহূর্ত নিমেষে বদলে গিয়েছিল বাঁচতে চাওয়ার আর্তনাদে। সেখানে সেদিন আরও অনেকের সঙ্গে পরিবারসহ ছিলেন পুণের সন্তোষ জাগদালেও। ওই দিনের ঘটনার পর গোটা পরিবার তছনছ হয়ে গিয়েছে।

সকালে আত্মীয়দের ফোন কল আসার পর আশাবরী জানতে পারেন অপারেশন সিঁদুর-এর কথা। মিশনের নাম শোনার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। 

সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশাবরী জাগদালে জানান, ‘অপারেশনের নাম শুনে কান্না থামাতে পারছিলাম না। আমার এখন মনে হচ্ছে, যে বাচ্চারা তাদের বাবাকে হারিয়েছে, যাঁরা তাঁদের স্বামী হারিয়েছেন, যাঁদের প্রাণ গিয়েছে ওই ঘটনায়- তাঁদের জীবন বৃথা যায়নি। ভারতের এই জবাব তাঁদের প্রতি যোগ্য শ্রদ্ধাঞ্জলি।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এই যোগ্য জবাবের জন্য কৃতজ্ঞতাও জানান আশাবরী। ১৫ দিনের মাথায় এই অপারেশনের মাধ্যমে ভারতের মানুষ ন্যায় পেয়েছে বলে করছেন তিনি।  

পহেলগামের অভিশপ্ত সেই দিনের রক্তমাখা জামা পরে আশাবরী সামিল হয়েছিলেন বাবার শেষযাত্রায়। শহরের একাংশ যেন নীরবে কেঁদে ফেলেছিল, হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল সন্তোষ ও তাঁর বন্ধু কৌস্তভ গানবোটের (তিনিও প্রাণ হারান জঙ্গিদের গুলিতে) প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।

শোক, যন্ত্রণার, ক্ষোভের সেই দিনের বিরুদ্ধে আশাবরীর নিঃশব্দ প্রতিবাদ শুধু একজন মেয়ের নয়, বরং গোটা দেশের তরফে এক মুখর প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তাঁর রক্তমাখা পোশাক হয়ে উঠেছিল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক মৌন চিৎকার। বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা চিরকালীন, তবু কিছুটা হলেও শান্তি পেয়েছেন আশাবরী।


```